বৃহস্পতিবার, ১৬ Jul ২০২৬, ০৭:৫৪ অপরাহ্ন
বাংলাদেশ, ব্রাজিল, ভারতসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশ যখন করোনার দ্বিতীয় বা তৃতীয় ঢেউ মোকাবিলায় হিমসিম খাচ্ছে তখনই ইসরায়েল তাদের বাসিন্দাদের মাস্কমুক্ত হয়ে ঘুরে বেড়ানোর অনুমতি দিয়েছে। করোনা-সংক্রমণ কমে যাওয়ায় এ অনুমতি দিচ্ছে দেশটি। ফলে সে দেশের মানুষ এখন মাস্কহীন ভাবে ঘর থেকে বেরিয়ে বুক ভরে নিঃশ্বাস নিতে পারছেন।
নিয়ম কঠোরভাবে মানা এবং নাগরিকদের সফলভাবে টিকা দিতে পারাই ইসরায়েলকে এনে দিয়েছে স্বাধীন ভাবে শ্বাস নেওয়ার সুযোগ। ইসরায়েলে ১৬ বছরের বেশি বয়স হলেই টিকা দেয়া হচ্ছে। সেই হিসেবে ৮১ শতাংশ নাগরিকের কোভিড টিকার দুটি ডোজই নেওয়া হয়ে গেছে। এরই মধ্যে খুলে দেয়া হয়েছে দেশের সব স্কুল। সীমিত পরিসরে বিদেশিদেরকেও প্রবেশ করতে দেয়া হচ্ছে।
এদিকে, লকডাউন স্বত্তেও সোমবার (১৯ এপ্রিল) থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সার্বিয়া, ইসরায়েল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের জন্য পর্যটন কেন্দ্র খুলে দিয়েছে গ্রিসের রোডেস দ্বীপ। টিকার দুই ডোজ নেয়া থাকলে এসব দেশের নাগরিকদের জন্য কোয়ারেন্টিন প্রযোজ্য হবে না।
অন্যদিকে, এক বছরের বেশি সময় বন্ধ থাকার পর সোমবার থেকে কোয়ারেন্টিন মুক্ত ভ্রমণ চালু করেছে অস্ট্রেলিয়ার ও নিউজিল্যান্ড। করোনার শুরু থেকে এ দুই দেশই কঠোর বিধিনিষেধে ছিল। পাশাপাশি জোর দিয়েছে করোনার টিকা প্রয়োগে।
গণটিকা প্রয়োগের পর করোনার সংক্রমণ ও মৃত্যু কমে আসায় গত সপ্তাহ থেকে যুক্তরাজ্য তাদের লকডাউন অনেকটাই শিথিল করেছে। আর আগামী সোমবার থেকে লকডাউন শিথিলের ঘোষণা দিয়েছে ইতালি।